প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জ্বল হোসেনের স্বাক্ষরিত সফরসূচি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সফরকালে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ, জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, পুরস্কার বিতরণ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে অনুদান ও সম্মানী প্রদানসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
শপথ নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে জেলা জুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। প্রধানমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ সদর, কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার বিভিন্ন সড়ক সংস্কার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কটিয়াদী উপজেলার কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর দুপুর ১টায় আচমিতা জর্জ ইন্সটিটিউশন মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
দুপুরের পর সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে বেলা আড়াইটার দিকে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই সময়ে ছাত্রদলের আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেবেন।
বিকেল ৪টার দিকে জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও বিভিন্ন অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে কিশোরগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাকে একনজর দেখতে ও বক্তব্য শুনতে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও আগ্রহ দেখা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলীয় সংসদ সদস্যরা।
দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এনএইচ