কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক পটুয়াখালী বার্তার সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম বেলালকে জীবন নাশের হুমকি দিয়েছে মাদক ব্যবসায়ী মহিবুল্লাহ।

প্রতিবেশী মাদক সম্রাট মহিবুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষী ও সংবাদ প্রকাশের জের ধরে হুমকি দিয়েছে। সে কুয়াকাটার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।

২০১৩ সালে চোলাই মদসহ ধরা খেয়ে দুই মাস জেল খাটে ওই মাদক ব্যবসায়ী। বর্তমানে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাংবাদিক বেলাল ও তার পরিবার।

জাহিদুল ইসলাম বেলাল জানান, প্রতিবেশী মাদক সম্রাট মহিবুল্লাহ নিজ বাড়িতে মদ পান করে যাকে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। মাতাল মহিবুল্লাহ প্রতিদিনের আচারণে অতিষ্ট হয়ে তিনি পুলিশকে খবর দেয়।

পুলিশ কুয়াকাটা সংলগ্ন মুসুল্লীয়াবাদ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাদকসহ হাতে নাতে নেশাগ্রস্থ মহিবুল্লাহকে ধরে ফেলে। কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই আহম্মেদ কবির বাদী হয়ে ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ২২ (গ)/২৫ ধারায় মামলা করে।

ওই মামলায় সাংবাদিক বেলালকে সাক্ষী রাখে পুলিশ। মামলায় মাতাল মহিবুল্লাহ দুই মাস জেল খাটে। জেল থেকে মুক্ত হয়েই বিভিন্ন সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দিতে থাকে।

বর্তমানে নেশাখোর মহিবুল্লাহ অনেকটা বেপোরোয়া হয়ে ওঠেছে। যে কোন মুহূর্তে সাংবাদিক বেলাল ও তার পরিবারের সদ্যসদের মেরে ফেলতে পারে এমন আংশকার কথা জানিয়েছেন ওই সাংবাদিক পরিবার।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মহিবুল্লাহকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এস আই) সঞ্জয় মন্ডল জানান, সাংবাদিক বেলালকে জীবন নাশের হুমকি সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন। তাকে কলাপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালে আমরা চোলাই মদসহ মহিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে নিয়মিত আইনে মামলা দিয়েছিলাম। ওই মামলায় সে বেশ কয়েক মাস জেল হাজতে ছিলো।

এ বিষয়ে কলাপাড়ার থানার ওসি (তদন্ত) মো. মনিরুজ্জামান জানান, সাংবাদিক পরিবার অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এসএইচ