তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় দৈনিক ইনকিলাবের বার্তা সম্পাদক রবিউল্লাহ রবির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার জামিন আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক কেএম শামসুল হক তা নাকচ করে দেন।

গত ১৮ আগস্ট ‘প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য এক পুলিশ কর্মকর্তার’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইনকিলাব। যাতে বলা হয়, ‘পুলিশ সদর দফতরে কর্মরত পুলিশের এআইজি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার পুলিশ বাহিনীতে তৈরি করেছেন অঘোষিত হিন্দু লীগ।’

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, প্রশাসনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা ও আইসিটি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে পুলিশ সদর দফতরে কর্মরত পুলিশের এআইজি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় ইনকিলাবের প্রকাশক ও সম্পাদক, প্রধান প্রতিবেদক, নগর সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে আসামি করা হয়েছে।

এ মামলায় ১৯ আগস্ট রাত পৌনে ১২টায় রাজধানীর আর কে মিশন রোডে ইনকিলাবের কার্যালয় থেকে রবিউল্লাহ রবিকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এ সময় বার্তাকক্ষের কম্পিউটার থেকে একটি নিউজের কপি প্রিন্ট করে এবং রবিউল্লাহ রবিকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

এর আগে ‘সাতক্ষীরায় অপারেশনে ভারতীয় বাহিনীর সহায়তা’ শিরোনামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে ১৬ জানুয়ারি রাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দৈনিক ইনকিলাবের অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিল পুলিশ। এছাড়া পত্রিকাটির প্রেসও সিলগালা করে দেওয়া হয়েছিল। সে সময়ও গ্রেফতার হয়েছিলেন রবি।

ওই ঘটনায় তথ্য ও প্রযুক্তি যোগাযোগ আইনে রাজধানীর ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন।

গত ২ ফেব্রুয়রি পত্রিকাটির সিনিয়র সাংবাদিক আফজাল বারীর আবেদনক্রমে জব্দকৃত মালামাল ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন সিএমএম আদালত। ফলে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের ইনকিলাব পত্রিকা বের হয়। ওই মামলায় জামিন পেয়েছিলেন রবি।

ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ