সাংবাদিক প্রবীর সিকদারকে অবিলম্বে মুক্তি ও তার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরইউজে)।
নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানান সাংবাদিক নেতারা।
রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের ব্যানারে এ কর্মসূচিতে রাজশাহীর বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতা ও সদস্যরা অংশ নেন।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে শহীদ সন্তান সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের নিঃশর্ত মুক্তি ও তথ্য-প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
একইসঙ্গে পুলিশি হয়রানি থেকে প্রবীর সিকদারকে রক্ষা করতে সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান।
অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন সাংবাদিক নেতারা।
রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের নবনির্বাচিত সভাপতি কাজী শাহেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মামুন-অর-রশিদের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বিএফইউজে'র সদস্য কাজী গিয়াস, স্থানীয় দৈনিক সানশাইনের সম্পাদক তসিকুল ইসলাম বকুল, রাজশাহী টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুল হাসান লিটন, রাজশাহী মেট্টোপলিটন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আসাদুজ্জামান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আলী রমজান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপদি সাঈদ শুভ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, রাজধানীর ইন্দিরা রোডের নিজ পত্রিকা কার্যালয় থেকে রবিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে প্রবীর সিকদারকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ। এর পর সোমবার ভোরে সেখান থেকে তাকে ফরিদপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
জীবন শঙ্কা নিয়ে সম্প্রতি ফেসবুকের এক স্ট্যাটাসে প্রবীর সিকদার স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম উল্লেখ করেন।
প্রবীরের ওই স্ট্যাটাসে রবিবার রাত ১১টার দিকে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলাটি করেন ফরিদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা ও এপিপি এ্যাডভোকেট স্বপন কুমার পাল।
এমকে





