সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠনের সভাপতি ও নন্দিত সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদকে বানোয়াট মামলায় গ্রেফতার ও দফায় দফায় রিমাণ্ডে নেয়াসহ দেশব্যাপী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধ ক্রমবর্ধমান মামলা-হামলা, নির্যাতন-নিপীড়ন ও হয়রানি ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র নির্বাহী পরিষদ।
আজ ২৯ আগস্ট শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অবস্থিত নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকায় অবস্থানরত বিএফইউজে’র নির্বাহী পরিষদের কর্মকর্তাদের সভায় এ প্রতিবাদ জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএফইউজে’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম. আবদুল্লাহ।
মহাসচিব এম এ আজিজের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় গৃহীত প্রস্তাবে শওকত মাহমুদের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, রিমাণ্ড বাতিল করে অবিলম্বে মুক্তি, দৈনিক আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভিসহ বন্ধ মিডিয়া খুলে দেয়া, সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, সাংবাদিক কনক সরওয়ারসহ কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি এবং গণমাধ্যম দলনের প্রতিবাদে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের দাবিতে সারা দেশে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া সভায় যত শিগগিরই সম্ভব বিএফইউজে’র বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠানেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়, সাংবাদিক সমাজ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, ক্ষমতাসীন সরকার ভিন্নমতের গণমাধ্যম দলনে একের পর এক গনমাধ্যম বন্ধ ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেই থামছে না, সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠনের শীর্ষ নেতা শওকত মাহমুদকে গত ১৮ আগস্ট বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে রিমাণ্ডে নিচ্ছে। অবিলম্বে এসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে তাকে সসম্মানে মুক্তি দিতে হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে সভায় বলা হয় সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে তাদের টার্গেটে পরিণত করেছে। অনতিবিলম্বে সাংবাদিক নির্যাতনকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতে হবে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিইউজের সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান,বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন, কবি কামার ফরিদ, সানাউল হক প্রমুখ।
এসএইচ





