বেতন বৈষম্য দূর করার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের একাংশ।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় বেতন বৈষম্য ও গ্রেড বাড়ানোর আশ্বাসের পর অনশনকারীদের পানি ও জুস খাইয়ে অনশন ভঙ্গ করান মন্ত্রী।
এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে তাঁর বাসায় শিক্ষকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গত শনিবার থেকে বেতন ও গ্রেড বৈষম্য কমানোর দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা অনশন করছিলেন।
আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন অর্ধশত শিক্ষক। এমন পরিস্থিতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান।
শিক্ষকদের উদ্দেশে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরবেন উপযুক্ত ফোরামে। যেখানে আমি, আমার সচিব এবং ডিজি থাকবেন।’
সেখানেই দাবি শুনে তা পূরণের ব্যাপারে আলোচনা করবেন বলে জানান মন্ত্রী। কিন্তু তখনই তাঁর বক্তব্যের প্রতিবাদ করতে থাকেন শিক্ষকরা।
সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা না থাকায় তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানান শিক্ষকরা। পরে শিক্ষক নেতাদের হস্তক্ষেপের পর আবার মন্ত্রী ঘোষণা দেন দাবি বাস্তবায়নের।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আন্দোলন এ সমস্যার সমাধান দেবে না। আলোচনাই এটার সমাধান দেবে।’পরে অনশনরত শিক্ষকদের পানি ও জুস খাইয়ে অনশন ভাঙান মন্ত্রী।
কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব না থাকায় আন্দোলন স্থগিত করার পরও ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাধারণ শিক্ষকরা।
একাধিক শিক্ষক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ঘোষণা শুনতে চাই। তিনি নিজে যদি আমাদের আশ্বস্ত করেন যে প্রধান শিক্ষকের পরবর্তী স্তর সহকারী শিক্ষককের দেওয়া হবে তাহলে আমরা তা মেনে দেব।’
শিক্ষকরা জানান, আগে সহকারী শিক্ষকরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এক ধাপ নিচের গ্রেডে বেতন পেতেন।
কিন্তু এখন তাঁরা তিন ধাপ নিচের গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। এখন প্রধান শিক্ষক পান ১১তম গ্রেড আর সহকারী শিক্ষক পান ১৪তম গ্রেডে বেতন যা তাঁদের জন্য অপমানজনক ও বৈষম্যমূলক বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।
এমআর





