আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে দেয়া আদালতের রায়কে ‘পাতানো’বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক নেতারা। তারা বলেন, আমরা মাহমুদুর রহমানের রায়ে সংক্ষুব্ধ।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বকশীবাজারের বিশেষ আদালত দুদকের একটি মামলায় মাহমুদুর রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে।

ওই রায়ের প্রতিবাদে দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ সমাবেশ করে সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিএফইউজে) বিএনপিপন্থী অংশ। তবে সমাবেশে পুলিশ বাধা দেয়। তাদের ব্যানার ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টাও করা হয়।

সমাবেশে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমিন গাজী বলেন,আমরা মাহমুদুর রহমানের রায়ে সংক্ষুব্ধ। আদালত পাতানো এক রায় দেবে আগেই ভেবেছিলাম। এখন তা স্পষ্ট হলো।

তিনি বলেন,মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশের আন্দোলনের নাম সংগ্রামের নাম। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক রায় আমরা মেনে নিতে পারি না। তার কিছু হলে সারা বাংলায় আগুন জলে উঠবে।

সমাবেশে বাধা দেয়ার কারণ হিসেবে শাহবাগ থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) শাফিয়ার বলেন, ওপরের নির্দেশে সমাবেশ বন্ধে প্রথমে নিষেধাজ্ঞা ছিলো। পরে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়।

এসআইয়ের পুরো নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, মিডিয়ার কাছে পুরো নাম বললে সমস্যা আছে। কারণ মিডিয়া আমাদের বিরুদ্ধে উল্টাপাল্টা লেখে।

সমাবেশে আহবায়ক রুহুল আমিন গাজী বলেন,আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চেয়েছিলাম কিন্তু যারা ন্যয় বিচার চায় না, গণতন্ত্র চায় না, সাগর-রুনির হত্যার বিচার চায় না এবং সাংবাদিক নির্যাতনের বিচার চায় না তারাই এ ধরনের কর্মসূচীতে বাধা দেয় বলে মন্তব্য করেন এই সাংবাদিক নেতা।

বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন ডিএফইউজের সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম মহসিন প্রমুখ।

এআর