গবেষক, সাংবাদিক, কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদের মরদেহ আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে নেওয়া হবে।
আজ (২৪ ফেব্রুয়ারি) বুধবার দুপুর আড়াইটায় স্কয়ার হাসপাতাল থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবে নেওয়া হবে তার মরদেহ।
সেখানে সাংবাদিকরা শ্রদ্ধা জানানোর পর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সবার শ্রদ্ধার জন্য মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। সেখানে নাগরিকদের শ্রদ্ধার পর বাদ আসর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
পরে তাকে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।
গতকাল (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে সৈয়দ আবুল মকসুদকে মৃত ঘোষণা করে স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
সৈয়দ আবুল মকসুদের ছেলে সৈয়দ নাসিফ মাকসুদ বলেন, তার বাবা বাসায় অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। ওই অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান, তিনি আগেই মারা গেছেন।
জানা গেছে, সৈয়দ আবুল মকসুদ ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ আবুল মাহমুদ ও মা সালেহা বেগম। শৈশব থেকে আবুল মকসুদ দেশি বিদেশি বিভিন্ন পত্রিকা পড়ার সুযোগ পান।
সৈয়দ আবুল মকসুদের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- কবিতা: বিকেলবেলা, দারা শিকোহ ও অন্যান্য কবিতা; প্রবন্ধ: যুদ্ধ ও মানুষের মূর্খতা, বাঙালির সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার, পূর্ববঙ্গে রবীন্দ্রনাথ, রবীন্দ্রনাথের ধর্মতত্ত্ব ও দর্শন, ঢাকায় বুদ্ধদেব বসু প্রভৃতি; জীবনী: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও সাহিত্য, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, গোবিন্দচন্দ্র দাসের ঘর-গেরস্থালি; ভ্রমণকাহিনি: জার্মানির জার্নাল, পারস্যের পত্রাবলি। চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন তিনি। সৈয়দ আবুল মকসুদ বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ঋষিজ পুরস্কারসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
বাংলা সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য সৈয়দ আবুল মকসুদ ১৯৯৫ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
এমবি





