কোন ধরনের পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই হঠাৎ করে ৩৫টি অনলাইন গণমাধ্যম ব্লক করে দেয়ায় বাংলাদেশ সরকারের নিন্দা জানিয়েছে লন্ডন প্রবাসীরা।
স্থানীয় সময় আজ (শুক্রবার) বেলা সোয়া দুইটায় পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এ নিন্দা জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তারা ফ্যাসীবাদী আচরণ থেকে গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসে অবিলম্বে সকল বন্ধ গণমাধ্যম খুলে দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানান।
তারা অভিযোগ করেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীণতা খর্ব করে একের পর এক সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়ে হাজার হাজার সাংবাদিককে বেকারত্বের অভিশাপ বরণ করতে বাধ্য করছে।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা।
গুম, খুন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে এই সরকারই লালন করে বিরোধী শক্তিকে নির্মূলের এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বলেও অভিযোগ করেন প্রবাসীরা।
প্রবীণ সাংবাদিক ও বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ইউকের সভাপতি কে এম আবু তাহের চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ সৈয়দ মামুনুর মোরশেদ, শিক্ষাবিদ ড. এম কে মালেক, সাংবাদিক আকতার মাহমুদ, সাবেক রাষ্ট্রপতির ডেপুটির প্রেস সেক্রেটারি শামসুল আলম লিটন, ব্যারিস্টার নাজির আহমেদ, দৈনিক আমার দেশের বিশেষ প্রতিনিধি অলিউল্লাহ নোমান, ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান, টাইমনিউজবিডির লন্ডন ব্যুরো চীফ নুরে আলম বর্ষন, দৈনিক আমার দেশের সহকারী সম্পাদক মাহবুব আলী খানশূর, সাইয়েদ মু বাকী ও হক কথার সম্পাদক তাজউদ্দিন।
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলা টিভির সহ-বার্তা সম্পাদক সরোয়ার আহমেদ, চ্যানের এস ইউকের সিনিয়র সাংবাদিক ইব্রাহিম খলিল, লন্ডন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নাছির আহমেদ শাহীন, সাপ্তাহিক জয়যাত্রার মাওলানা শামীম আহমেদ, আইনজীবী বিপ্লব পোদ্দার, সাপ্তাহিক জনমতের বিশেষ প্রতিনিধি তামিমুল এহসান তানিম, দর্পনের সাংবাদিক হাসনাত খান, সাংবাদিক শিহাবুজ্জামান কামাল, ছাত্রনেতা সেলিম আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, গরীব হোসেন, কামরান জাকিবিল্লাহ, ইফতেখার হাসানুজ্জামান রনি, এ কে এম সিদ্দিকুর রহমান ও এডভোকেট মাহবুব আলম তোহাসহ প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
কেবি





