ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) বার্ষিক সাধারণ সভায় সাংবাদিক দম্পতি সাগর- রুনি হত্যা আন্দলন অব্যাহতের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের সদস্যরা।

একই সঙ্গে সংগঠনের আহত সদস্যদের সুচিকিৎসার স্বার্থে আর্থিক অনুদান বৃদ্ধির অনুরোধ জানান তারা।

বার্ষিক সাধারণ সভায় সাংবাদিক নেতারা এ সংগঠনকে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত রাখার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ঐক্যের প্রতীক ডিআরইউ। আর এ ঐক্য কোনো ভাবেই নষ্ট করতে দেয়া যাবে না। রাজনীতির বিভাজনের ফলে সাংবাদিকরা আজ নানা ভাবে অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আর ডিআরইউর প্রতিষ্ঠার মূল টার্গেট ছিল রাজনৈনিত প্রভাব মুক্ত পেশাজীবী সাংবাদিক(রিপোর্টারদের) জন্য একটি নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটাকে পরিচালিত করা। কিন্তু ইদানিং এ প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে অনেকে রাজনীতি করার চেষ্ঠায় আছেন। এব্যাপারে সবাইকে শর্তক থাকার অনুরোধ জানানো হয়।

সভার শুরুতেই মৃত্যুবরনকারী সদস্যদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দাঁড়িয়ে এক মিনিটি নিরবতা পালন করা হয়।

আজ শনিবার ডিআরইউ চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্যরা এ দাবি জানান।

ডিআরইউ’র সভাপতি সাহেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাবেক সভাপতি শাজাহান সরদার, সাবেক সভাপতি এম শফিকুল করিম, সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশাহ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন লিটন ,সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন, যুগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার শেখ মামুন, যুগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার মশিয়ুর রহমান, সংগ্রামের সিনিয়র রিপোর্টার শহিদুল ইসলাম, মানব কণেন্ঠর রিপোর্টার তাসকিনা পারভিন, ভোরের ডাকের আয়াতুল্লাহ আক্তার, মাই টিভির আমিরুল মোমেনিন মানিক, অর্থনীতি প্রতিদিনের কামরুজ্জামান কাজলসহ প্রায় ২০ জন সাংবাদিক বক্তব্য রাখেন।

সভায় সাধারন ম্পাদকের রিপোর্ট পেশ করেন, ইলিয়াস খান এবং অর্থ সম্পাদকের রিপোর্ট পেশ করেন আরিফুল ইসলাম। এছাড়া মঞ্চে ছিলেন ডিআরইউ’র সহ সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোরসালিন নোমানী, প্রচার ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাজ্জাত হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আজিজুল পারভে প্রমুখ।

একে/এসএইচ