জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেছেন, ‘দুই একটা সাংবাদিকের গলা কেটে ফেললে কিছুই হবে না। এটা আমার কেন্দ্র থেকে নির্দেশ দেওয়া আছে’।
সোমবার বিকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ করতে গেলে জবি ছাত্রলীগ সভাপতি এসব কথা বলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিবির সন্দেহে রাসেল নামে এক শিক্ষার্থীকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। প্রক্টরের উপস্থিতিতে রাসেলকে মারধর করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। সাংবাদিকরা এই সংবাদ সংগ্রহ করতে প্রক্টর অফিসে গেলে ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফ বলেন, সাংবাদিকদের ওপর শিবির ভর করেছে।
একথা বলার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত সাংবাদিকরা তার প্রতিবাদ জানান। এসময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক নয়া দিগন্তের সাংবাদিক সুজাউল ইসলাম, দফতর সম্পাদক ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাংবাদিক মাহবুব মমতাজী, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাংবাদিক ইমরান আহমেদ, সমকালের সাংবাদিক আল-আমীন ও সকালের খবরের সাংবাদিক তানভীর রায়হানসহ ২০ সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করে।
এর সুষ্ঠু বিচারের জন্য সাংবাদিকরা উপাচর্যের কার্যালয়ে গেলে সেখানেও ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফের নেতৃত্বে কানন, রিয়ান, রাসেল, সাইমন, আসাদ, মামুন, রনিসহ প্রায় অর্ধশতাধিক কর্মী উপাচার্যের সভাকক্ষে উপস্থিত সাংবাদিকদের মারধর শুরু করে।
এসময় ২৫ জন সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে আসলে সহকারী প্রক্টর নাসির উদ্দিনকে ধাক্কা দিয়ে লাঞ্ছিত করে ছাত্রলীগের কর্মীরা।
এ ব্যাপারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা খুবই ন্যাক্কারজনক ও অনাকাক্ষিত। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
[b]ঢাকা, ৬ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
গণমাধ্যম
'সাংবাদিকের গলা কেটে ফেললে কিছুই হবে না'
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেছেন, ‘দুই একটা সাংবাদিকের গলা কেটে ফেললে কিছুই হবে না। এটা আমার কেন্দ্র থেকে নির্দেশ দেওয়া আছে’। সোমবার বিকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ করতে গেলে জবি ছাত্রলীগ সভাপতি এসব কথা বলেন।





