অর্থের বিনিময়ে সংবাদ ও তোলা ছবি মিডিয়া হাউজে আগে না দিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের দেয় এমন ১০/১২ সাংবাদিকদের তালিকা করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

সোমবার দুপুরে মহানগর গোয়েন্দা কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (মিডিয়া) মনিরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, বাঁশেরকেল্লা অনেক সময় মিডিয়ায় আসার আগেই সহিংসতার সংবাদ ও ছবি প্রকাশ করে। এমন কিছু সাংবাদিক আছে যারা ছবি ও সংবাদ সংগ্রহ করে মিডিয়া হাউজে দেয়ার আগেই বাঁশেরকেল্লার কাছে দিয়ে দেয়। এমন ১০/১২ জনের নাম তালিকা করা হয়েছে।

এছাড়াও কিছু অনলাইন হাউজের প্রতিও নজরদারী করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাঁশেরকেল্লার এ্যাডমিন সমন্বয়ক জিয়াউদ্দিন ফাহাদকে গ্রেফতারের অনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের ১২ মিনিট পর যে ব্যক্তি 'বাঁশেরকেল্লায় বাংলাদেশে কোনো এ্যাডমিন নেই' বলে পোষ্ট দিয়েছেন তিনি বাংলাদেশ আছে আর তাকে সনাক্ত করা হয়েছে। শীঘ্রই তাকে গ্রেফতার করা হবে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, বাঁশেরকল্লার যে ছয়জন এ্যাডমিন আছে জিয়াউদ্দিন ফাহাদ তাদের মধ্যে সমন্বয় করত।

তিনি বলেন, জিয়াউদ্দিন ফাহাদকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় ২০১০ সালে বাঁশেরকেল্লার ৪০জন এ্যাডমিনদের বিদেশ থেকে উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দিয়ে আনা হয়েছে। তাদের ২০ জন ফুলটাইম বেতনে রাখা হয়েছে এবং ২০ জনকে পারটাইম হিসাবে রাখা হয়েছে।

আভিজিৎ হত্যার তদন্তে এফবিআই থেকে কি সহযোগিতা পেয়েছেন জানতে চাইলে ডিএমপির মুখপাত্র বলেন, তাদের থেকে আমরা সহযোগিতা পেয়েছি তবে তা এখনো হাতে পাইনি। তিনি বলেন, আপনারা জানেন অভিজিৎ হত্যার সময় যে আলামতগুলো পাওয়া গিয়েছিলো তা এফবিআইয়ের ল্যাবে পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, এফবিআই তাদের দেশে মামলা করে তদন্ত করবে এবং তাদের দেশের আইন অনুযায়ী বিচার করবে।

এআই/কেএইচ