শামিম ওসমান বলেন, আপনারা বইলা আনছেন এক গেস্টের নামে, আনছেন আরেক গেস্ট। কথাও শেষ করতে দেবেন না- তাহলে তো হবে না ভাইজান। এটা খুব সেনসিটিভ একটা জায়গা।

শামীম ওসমানের মুখের কথা কেড়ে নিয়ে আইভী বলেন, ‘আমি তাহলে চলে যাব। এক্সকিউজ মি... এক্সকিউজ মি... সঞ্চালক সাহেব আমি জানতে চাচ্ছি আপনি কি উনাকে অন্যের কথা বলে এখানে নিয়ে এসেছেন? তাহলে আমি উনার সঙ্গে বসব না।

নিজের কথা শেষ হতে না হতেই ফাইল হাতে উঠে দাঁড়ান আইভী।

সঞ্চালক আইভীকে ম্যানেজ করতে গিয়ে বলেন, উনি কিন্তু আলোচনা শুরু করেছেন। আইভী বলেন, নো... নো... উনি শুরু করে আবার বলেছেন উনাকে একজনের কথা বলে আরেকজনকে নিয়ে আসা হয়েছে... এ ধরনের একজন মিথ্যাবাদীর সঙ্গে বসা যায় না।

জবাবে শামীম ওসমান বলেন, মিথ্যাবাদী তুমি। কিছু বলতে হয় অনুষ্ঠানের পরিচালককে বল, আমাকে বলবা না।

আইভী সঞ্চালককে বলেন, আপনি কেন আমার কথা উনাকে বলেননি? কেন মিথ্যা বলে উনাকে এনেছেন?

সঞ্চালক বলেন, তাকে বলা হয়েছে। আপনি যখন হ্যাঁ বলেছেন তখন থেকে তার ফোনটা বন্ধ ছিল। কিছুক্ষণ আগে উনি ফোনটা ধরেছেন। এখানে আসার পরপরই জানিয়েছি আপনার কথা।

পাশ থেকে শামীম ওসমান বলেন, আমি মোটেই জানি না। আইভীকে উদ্দেশ করে বলেন, তুমি উঠে যাচ্ছ উঠে যাও, বেয়াদবি করো না। ফেস কর।

আইভীও খেপে গিয়ে বলেন, ‘শামীম ওসমান। বেয়াদব ইউ।’ এবার সঞ্চালকের দিকে তাকিয়ে শামীম ওসমান বলেন, বুঝতে পেরেছেন তো ফ্যামিলির পরিচয়। এই ধরনের কালচারের মেয়ে... চাক্কু মারা ওহেদ আলীর নাতনি তো, চুনকার মেয়ে তো, এইজন্যই মুন্সীগঞ্জে ভেগে গিয়েছিল, চার বছর ছয় মাস ছিল ওখানে।

সঞ্চালক তাদের শান্ত করার চেষ্টায় গলদঘর্ম হয়ে পড়েন।

আইভী সঞ্চালককে বলেন, আপনি জানেন উনি কি বাজে লোক?

তার দিকে তাকিয়ে শামীম ওসমান ধমকের সুরে বলেন, ‘অ্যাই শাট-আপ, জাস্ট শাট-আপ।’

আইভী সঞ্চালকের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘হোয়াই? হোয়াই? সে কেন বলল আপনি তাকে মিথ্যা কথা বলে এখানে নিয়ে এসেছেন?’ শামীম ওসমান কিছুটা স্বর নামিয়ে বলেন, মিথ্যা কথা বলি নাই। তুমি আর কোনো সময়, ফারদার এভাবে কথা বলবা না, বেয়াদবের মতো। জাস্ট বেয়াদব।

ঢাকা, ১৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ