২৭ জুন সাধারণ সভার সিদ্ধান্তই বলে দিবে প্রেস ক্লাবের দায়ীত্ব কাদের হাতে থাকবে।তারা ইতিমধ্যে লভিং শুরু করে দিয়েছে, তাদের পক্ষে মত সংগ্রহের আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন, মনে রাখবেন আপনারা যারা নিজের স্বার্থ হাসিল করতে প্রতিপক্ষের সাথে হাত মিলানোর চেষ্টা করছেন তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
রবিবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ইউনিয়ন অফিসের সামনে প্রেস ক্লাবের দখল দারিত্বের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের প্রতিবাদ র্শীষক এক অবস্থান কর্মসূচিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ম্ওকত মাহমুদ কথা বলেন।
শওকত মাহমুদ বলেন, যারা এই অবৈধ আত্মস্বীকৃত কমিটির সাথে সমঝোতার তারা কোন দিন সফল হবেন না। আর অভৈধ কমিটির সাথে যদি সমঝোতা হয় তাহলে সাংবাদিকতায় সত্য মিথ্যা বলে কিছু থাকবে না।সাংবাদিক জগতে র্দীঘ দিনের যে অর্জন তা মাটির সাথে মিশে যাবে।
তিনি আগামী সঙ্গলবার পুনরায় অবস্থান কর্মসূচিরও ঘোষণা দেন।
ডিএফইউজের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, সকল কলঙ্কের সাথে এখন আরেকটি কলঙ্ক যুক্ত হয়ে থাকবে।মানুষ জানে মীর জাফরের পরিণতি কি হয়েছিল। আজ্ও যারা রাতের আধারে অবৈধ দখল দারিদের সাথে আতাত করার চেষ্টা করছেন তাদের পরিণতিও একই রকম হবে।
তিনি বলেন, ইফতার পার্টি দিয়ে দখল ধারিরা তাদের দল ভারি করার চেষ্টা করছে, যারা তাদের ইফতার পার্টিতে যাবে তাদেরও বহিস্কার করা হবে।
আগামী ২৭ তারিখ সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ি প্রেস ক্লাব পরিচালিত হবে।এজিএমএর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত হবে সিদ্ধান্ত হবে।কারা প্রেস ক্লাবে থাকবে আর কারা থাকবে না তা সদস্যরাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
ডিএফইউজের সভাপতি কবি আব্দুল হাই সিকদার বলেন, যে সমস্ত যুলুমবাজরা ক্ষমতায় এসেছিল যুগে যুগে তারা ঠিকতে পারেনি পারবেও না।
তিনি নজরুলের কবিতার উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, আসিতেছে শুভ দিন,
দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণআজ যরা স্বার্থ বাদিদের সাথে হাত মিলানোর চিন্তা করছেন, মনে রাখবের তারা একুল ও হারাবেন ও কূল ও হারাবেন।সেই ঋণ শোধ করার কোন উপায় আপনাদের থাকবেনা।
অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা সাংবাদিক েইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান,কাদের গণী চৌধুরি, শহিদুল আলম সহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতৃবৃন্ধ।
এমএ





