দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, “সাংবাদিকতার মূল বিষয় হচ্ছে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। এ সাংবাদিকতা চলমান থাকুক। আপনারা নিরুৎসাহিত হবেন না।”

আজ (১৬ অক্টোবর) ঢাকায় বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের জন্য অনুসন্ধানমূলক রিপোর্টিংয়ের ৩ দিনের এক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে দুর্নীতি প্রতিরোধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের গুরুত্ব তুলে ধরেন দুদক চেয়ারম্যান।  

সাংবাদিকদের উদ্দেশে ইকবাল মাহমুদ বলেন, “অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সত্য প্রকাশ করবেন। আমি আপনাদের পক্ষে বলতে চাই, আমার বিরুদ্ধেই হোক, দুদকের বিরুদ্ধে হোক, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে; আপনারা লিখবেন। অনুসন্ধানের তথ্য যদি আপনারা না দেন তাহলে প্রতিষ্ঠান চলবে না।”

তিনি বলেন, “আপনারা যদি আমাকে চ্যালেঞ্জ না করেন, আমি শুধরাব না। আপনারা প্রশ্ন করবেন, কিছু উত্তর দেব, সব প্রশ্নের উত্তর হয়ত আমি দেব না, দিতেও পারব না।”

‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ নিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, “৫৭ ধারা বা ডিজিটাল আইন সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই। তবে আপনাদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন, দুদক এইসব সংবাদকে স্বাগত জানাবে।”

তিনি আরও বলেন, “দুদকের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবেদনের জন্য কোনো মামলা-টামলা হবে না। এমনকি এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবেদনের জন্য দুদকের পক্ষ থেকে প্রতিবাদও করা হয়নি। অনুসন্ধান করবেন, আপনাদের কোনো ভয় নেই। নির্ভয়ে আপনারা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করবেন।”

‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ প্রসঙ্গ টেনে পিআইবির মহাপরিচালক শাহ আলমগীর বলেন, "সাংবাদিকতা কোনো আইন দিয়ে থেমে থাকেনি। আইন করে কোনো ভালো কাজকে আটকানো যাবে না। আইন হয় খারাপদের জন্য। কাজেই আইন নিয়ে ভীত হওয়ার কোন কারণ নেই।”

অনুষ্ঠানে বাসসের প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, দুদক সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদও বক্তব্য দেন। 

এমবি