মালিকানা দ্বন্দ্বে বন্ধ হয়ে গেল দৈনিক অর্থনীতি প্রতিদিন। রোববার দিবাগত রাত একটার পর কর্তৃপক্ষ পত্রিকাটির সার্ভার খুলে নিয়েছেন। ফলে বেকার হয়ে পড়েছেন ওই পত্রিকায় কর্মরত প্রায় সাড়ে তিনশ’ সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী। তিন মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া রেখে পত্রিকাটি বন্ধ করে দেয়ায় বিপাকে পড়েছেন প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরতরা।
এদিকে প্রতিদিনের মতো সোমবারও দায়িত্বরত সাংবাদিকরা রোস্টার অনুযায়ী অ্যাসাইনমেন্ট কভার করতে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত ছিলেন। দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক ফজলুল বারী প্রতিষ্ঠানটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের কথা জানান।
এভাবে আকষ্মিক বন্ধ ঘোষণার পর সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। রাত সোয়া ৮টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত নির্বাহী সম্পাদককে ঘেরাও করে রেখেছেন প্রতিষ্ঠানটিতে চাকরিরতরা।
পত্রিকাটির একজন সিনিয়র সাংবাদিক জানান, দৈনিকটি বন্ধ ঘোষণার বিষয়ে কদিন আগেই সিনিয়র সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের জানিয়ে দেন মালিকপক্ষ।এ বিষয়টি নিয়ে রোববার সাংবাদিকরা সভা করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় তাদের দেনা-পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার পরেই পত্রিকা বন্ধ করা যাবে, অন্যথায় নয়।
রোববার রাতে যথারীতি কাজ হয় এবং আজ পত্রিকা প্রকাশিতও হয়েছে। কিন্তু রোববার রাতে কাজ করে সাংবাদিকরা চলে যাওয়ার পর মালিকপক্ষ সার্ভারের হার্ড ডিস্ক খুলে নিয়ে যায়।
সবুজ উদ্যোগ লিমিটেড নামে একটি কোম্পানির অধীনে অর্থনীতি প্রতিদিন পত্রিকাটি প্রকাশিত হচ্ছিল। এই কোম্পানির চেয়ারম্যান আর এ কে গ্রুপের আনোয়ারুল জামান। প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে নাম রয়েছে শিল্পপতি আব্দুল হকের। তিনি বাংলাভিশন টেলিভিশন চ্যানেলেরও চেয়ারম্যান। অর্থনীতি প্রতিদিন পত্রিকাটি ২০১২ সালের ২ ডিসেম্বর বাজারে আসে।
এদিকে, অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে প্রত্রিকাটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানালেও অপর একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানান গেছে, মালিকানা দ্বন্দ্বের জের ধরেই প্রকাশের ১৪ মাসের মাথায় বন্ধ হয়ে গেল পত্রিকাটি।
[b]ঢাকা, ৩ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর[/b]
গণমাধ্যম
মালিকানা দ্বন্দ্বে বন্ধ হলো অর্থনীতি প্রতিদিন
মালিকানা দ্বন্দ্বে বন্ধ হয়ে গেল দৈনিক অর্থনীতি প্রতিদিন। রোববার দিবাগত রাত একটার পর কর্তৃপক্ষ পত্রিকাটির সার্ভার খুলে নিয়েছেন। ফলে বেকার হয়ে পড়েছেন ওই পত্রিকায় কর্মরত প্রায় সাড়ে তিনশ’ সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।





