জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, শনিবার রাত ১২টা ৮ মিনিটে তার মোবাইল ফোনে ০১৯৮৬০৪৩২৩১ থেকে কল আসে। রিসিভ করতেই তাকে হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়। পরিচয় জানতে চাইলে ওপাশ থেকে বলা হয়, ‘তোর হাড়গোড় গুঁড়া করে ফেলব। তুই বাসা থেকে বের হবি তো, তখন বুঝবি। সাংবাদিক নোমান ওই ব্যক্তির কাছে হুমকি দেয়ার কারণ এবং পরিচয় জানতে চান। কিন্তু, হুমকিদাতা পরিচয় গোপন রেখে আরও উত্তেজিত হন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। একই সঙ্গে চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘সময়মতো আমারে চিনবি। তখন তুই বুঝতে পারবি, আমি কে।’ এরপর লাইন কেটে দেন। সাংবাদিক নোমান বলেন, এমন হুমকি পাওয়ার পর তিনি এবং তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর পাশাপাশি থানায় জিডি করেছেন।
এদিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য ও এনটিভি অনলাইনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এম নোমানকে হুমকির ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ডিআরইউ এবং বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়শেন (ক্র্যাব)।
ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব এক বিবৃতিতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।
অন্যদিকে ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকুসহ কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ এম এ নোমানকে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি মুঠোফোনে হুমকি দাতাকে শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারি সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেন নেতৃবৃন্দ। এছাড়া সাংবাদিক এম এ নোমানকে হুমকির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকাস্থ চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক ফোরাম। সংগঠনটির সভাপতি মিজান মালিক ও সাধারণ সম্পাদক এ কে এম রাশেদ শাহরিয়ার এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান।





