ঝিনাইদহতে একের পর এক গুম করে লাশ ফেলা হচ্ছে। লাশ পাওয়া যাচ্ছে এখন পথে ঘাটে। চোখ তোলা, কাটা লাশ।
এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজ্ঞ ও কলামিষ্ট ড তুহিন মালিক । তিনি ফেসবুকে লিখেছেন,
ঝিনাইদহ কি গুপ্তঘাতকদের নিরাপদ বধ্যভূমি ?
•ঝিনাইদহে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেয়া লাশের সংখ্যা এখন দাড়িয়েছে ২৪ জনে।
অনেকের লাশেরও কোন হদিস মেলেনি।
একের পর এক সাদা পোষাকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হচ্ছে মেধাবী ছাত্রদেরকে পর্যন্ত।
•সর্বশেষ গত বুধবার ১৬ বছরের কিশোর সোহানকেও ডিবি পরিচয়ে তুলে নেবার ১২ দিন পর নির্যাতন ও গুলি করে মেরে ফেলা হলো।
•১৬ বছরের কিশোর সোহান কি রাষ্ট্রের জন্য এতটাই ভীতিকর যে তাকে গুপ্তহত্যা করতে হবে ?
•ঝিনাইদহ কি ফিলিস্তিন বা কাস্মীরের কোন অংশ ?
•আতঙ্কগ্রস্থ ঝিনাইদহে নিশ্চিত মৃত্যুভয়ে প্রতিবাদ করারও কেউ অবশিষ্ট নেই !
•রাষ্ট্রের সংবিধান, আইন-কানুন, আদালতের দন্ড, বিচারক রায় কোনকিছুরই কি আজ আর কোনই প্রয়োজন নেই ?
•গুপ্ত হত্যা রোধে রাষ্ট্রের কি কোনই দায় নেই ?
এসএম





