সাংবাদিক হোসাইন জাকির ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লি.- রাজিউন।
শনিবার বিকেলে মিরপুরে ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মরণব্যাদি ক্যান্সারে আক্রান্ত হোসাইন জাকিরের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত্যুকালে হোসাইন জাকির তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন, কন্যা নিলয় (১৪), ছেলে আকাশ (১১) ও দেড় বছরের স্বপ্ন নামে এক শিশু ছেলেসহ, আত্মীয স্বজন এবং অগনীত শুভাকাংখী রেখে গেছেন।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ’র) সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা এ খবরটি নিশ্চিত করেছেন ।
জানা যায়, রাজধানীর মিরপুরে ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন হোসাইন জাকির।
গত রবিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকেরা তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন।
তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ক্যান্সার ধরা পড়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হোসাইন জাকিরকে গত বছরের মধ্য অক্টোবরে ভারতের মুম্বাইয়ে টাটা মেমোরিয়াল ক্যান্সার হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ওই হাসপাতাল থেকে ফেরত আসার পর তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে ঢাকার ডেল্টা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
তার কর্মময় জীবন:
চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদী দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করা হোসাইন জাকির প্রায় ১৮ বছর সক্রিয় ছিলেন এ পেশায়। দৈনিক মানবজমিন হয়ে দৈনিক আজকের কাগজ, দৈনিক যুগান্তরে সাংবাদিকতা করেছেন দীর্ঘদিন।
যুগান্তরে বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের একপর্যায়ে যুক্ত হন আলোকিত বাংলাদেশের সঙ্গে। সেখানে দায়িত্ব নেন প্রধান প্রতিবেদকের। সর্বশেষ তিনি প্রকাশিতব্য দৈনিক আজকের পত্রিকায়ও প্রধান প্রতিবেদকের দায়িত্বে ছিলেন।
পেশাগত জীবনে সেরা প্রতিবেদনের জন্য ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ২০০৪, ২০০৬, ২০০৭ ও ২০০৯ এবং ২০১১ সালে ইউনিসেফ পুরস্কার পান হোসাইন জাকির। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স ও মাস্টার্স শেষে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন তিনি।
একে





