বেতারে যা প্রচার হচ্ছে তা যাতে সবাই হাতের মুঠোয় পায় সে ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ‘দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে আমাদের বেতার : চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এই গুরুত্ব আরোপ করেন।
বাংলাদেশ বেতারের হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় বেতার ভবনে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনার শুরু হয় বুধবার সকাল ১০টায়।
বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক কাজী আখতার উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বিশেষ অতিথি বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. শাসুজ্জামান খান।
অতিথি বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কামাল লোহানী, সৈয়দ হাসান ইমাম, অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, সেলিনা হোসেন, মোস্তফা জব্বার, আশফাকুর রহমান খান, অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন, অধ্যাপক শামীম রেজা, এ এইচ এম বজলুর রহমান, ফারোহা সোহরাওয়ার্দী ও শামস সুমন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন সেমিনারে বলেন, বেতারে যা প্রচার হচ্ছে তা যাতে আমরা হাতের মুঠোয় পাই সে ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এখন সব কিছুই ইন্টারনেটের মাধ্যমে হচ্ছে। তাই বাংলাদেশ বেতারে যা প্রচার হয় তা যেন অনলাইনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা শুনতে পারি তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
মোস্তফা জব্বার বলেন, বর্তমানে বাংলা ভাষা দুই ভাবে বিকৃত করা হচ্ছে। একটি এফএম রেডিওর মাধ্যমে এবং অপরটি রোমান হরফ ব্যবহার করে।
অধ্যাপক শামীম রেজা বলেন, বাংলাদেশ বেতারের ব্র্যান্ডিং হচ্ছে না। বেতারে যা প্রচার হচ্ছে তা সবাই পাচ্ছে না। বেতারে যা প্রচার হচ্ছে তা যাতে সবাই পেতে পারে সে ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
এএইচ





