তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন,অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য পৃথক নীতিমালা তৈরি করা হবে।
দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান উদ্বোধন শেষে তথ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের মধ্যে দ্রুত সংবাদ পৌঁছে দেয়ার জন্য অনলাইন গণমাধ্যম একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।এটা সম্ভব হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে।
২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার মাঝে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পৌঁছে দেবেন বলে একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
ওই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় আজ দেশে বেশ কিছু অনলাইন গণমাধ্যম গড়ে উঠেছে। এখন পর্যন্ত আমরা এ ক্ষেত্রটির জন্য পৃথক নীতিমালা তৈরি করতে পারিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা অনলাইন গণমাধ্যমগুলোর সম্পাদক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছি। ওই কমিটি অনলাইন নীতিমালা তৈরির ব্যাপারে একটি রিপোর্ট আমাদের কাছে জমা দিয়েছে। আশা করি, অতি শিগগিরই অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য একটি পৃথক গণতান্ত্রিক নীতিমালা প্রস্তুত করতে পারবো।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একে অন্যের পরিপূরক। গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একটি সীমার মধ্যে কাজ করে। এ সীমা তৈরি করা হয় দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধানের মাধ্যমে। দেশের প্রতি গণমাধ্যম ও গণতন্ত্রের কিছু দায়বদ্ধতা আছে। দেশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, ধর্মীয় মূল্যবোধ, অর্থনৈতিক মুক্তি, অসাম্প্রদায়িকতা এবং দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি গণমাধ্যমের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
ইনু বলেন, গণতন্ত্রে যেমন অগণতন্ত্র, সাম্প্রদায়িকতার ষড়যন্ত্র রয়েছে; ঠিক তেমনি গণমাধ্যমেও কিছু অসাধু, অস্বচ্ছ সংবাদকর্মী রয়েছেন। তারা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে সমর্থন করে, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দেয়।
এমন হলুদ সাংবাদিকতার মাধ্যমে তারা গণমাধ্যমের স্বচ্ছ আয়নাকে অস্বচ্ছ করে দিতে চায়। আমি আশা করবো, আপনারা এসব বিষয়ে সচেতন থাকবেন।
দেশের প্রচলিত আইনের মধ্য দিয়েই আপনারা কাজ করবেন। গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সংবাদকর্মীদের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে, আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আপনারা কাজ করবেন।
এমকে





