বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুল মতিনের কুলখানি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর)। ওইদিন বাদ আসর নিহতের মোহাম্মদপুরের বাসায় কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে।

এতে তার সকল আত্মীয় সজন ও গুণগ্রাহীদের উপস্থিত থাকার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে রাজধানীর ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।

ওইদিন বাদ জুম্মা রাজধানীর মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে তাজমহল রোড কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

আব্দুল মতিন ১৯৩৬ সালে পাবনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। দৈনিক সংবাদে কাজ করার মধ্যদিয়ে তার সাংবাদিকতা শুরু হয়। এর মধ্যে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় প্রেস মিনিস্টারের দায়িত্বও পালন করেন।

এরপর দীর্ঘ কর্মজীবনে দ্য ডেইলি অবজারভারে বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সর্বশেষ দৈনিক জনকণ্ঠে সহকারী সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন আব্দুল মতিন।

আবদুল মতিনের আত্মার শান্তি কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা, ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, মহাসচিব আবদুল জলিল ভুঁইয়া, অপর অংশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম আবদুল্লাহ, মহাসচিব এম এ আজিজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আলতাফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ, অপর অংশের সভাপতি আবদুল হাই শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী।

এমকে