বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম আসামিপক্ষের সময় আবেদনের পর এ আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আবেদনে বলা হয়, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর। এতে বিপুল পরিমাণ নথিপত্র, ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত, ভিডিও ফুটেজ, কললিস্ট এবং ফরেনসিক প্রতিবেদন রয়েছে। এসব পর্যালোচনা ছাড়া কার্যকরভাবে ডিসচার্জ শুনানি পরিচালনা সম্ভব নয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই চাঁদ উদ্যান এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ট্রাকচালক মো. হোসেন। সেদিন তিনি গাবতলীতে ট্রাক রেখে বাসায় ফিরছিলেন।
ঘটনার পর ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট নিহতের মা রীনা বেগম মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আকরামুজ্জামান আদালতে শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, হাসান মাহমুদ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান এবং নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-এর সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ আরও অনেকে।
বর্তমানে আসামিদের মধ্যে জুনাইদ আহমেদ পলক, সাদেক খান, ফুরকান হোসেন ও শাহজাহান খান কারাগারে রয়েছেন।
এস