বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের সুবর্ণখোলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। শুক্রবার সকালে ওই এলাকা থেকে তারা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পাংশা মডেল থানা পুলিশ।
নিহত তারা খাতুন ওই এলাকার জাবেদ বিশ্বাসের স্ত্রী এবং রাজু বিশ্বাসের মা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভাষ্য, রাজু ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন করতেন। একপর্যায়ে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
ছেলের চিকিৎসার জন্য তারা খাতুন মোটরসাইকেলে করে কুষ্টিয়ার বনগ্রাম এলাকার উদ্দেশে রওনা হন। তবে পরে রাজু তার মাকে সঙ্গে না নিয়ে খালার বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন।
এরপর সকালে তারা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, তারা খাতুনের সঙ্গে তার স্বামী জাবেদ বিশ্বাসের সম্পর্ক ভালো ছিল না। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাজু মাদকাসক্ত ছিলেন।
পুলিশের ধারণা, মোটরসাইকেল থেকে পড়ে তারা খাতুনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে। দুর্ঘটনা হয়ে থাকলেও রাজু বিষয়টি কাউকে জানাননি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাঈনুল ইসলাম বলেন, নাদুরিয়া ঘাট এলাকা থেকে তারা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
তিনি বলেন, এটি হত্যার কারণে মৃত্যু, নাকি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা তদন্ত করছেন।
এস