বৃহস্পতিবার (১০ আগষ্ট) উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমিন এ অভিযান পরিচালনা করেন।
জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে জায়গীরহাটে অসৎ উপায়ে বিভিন্ন কায়দায় চিকিৎসা দিয়ে আসছে ভুয়া ডাক্তার মজনু মিয়া।
উন্নত চিকিৎসার নামে গ্রামের গরিব ও অসহায় রোগীদের নিম্নমানের চিকিৎসা দেন তিনি। ওষুধে বিফল হলে করেন ঝাড়-ফুঁক কবিরাজি। তার কাছে চিকিৎসা নেই এমন কোন রোগ নেই বলেও জানান ভুক্তভোগী রোগীরা। এর আগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নির্বাহী উপ পরিচালক আজাহারুল ইসলাম গত ১৯ জুলাই বিকেলে মজনু ডাক্তারের চেম্বারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাক্তার মজনু চেম্বার বন্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে নির্বাহী পরিচালক তালা ভেঙ্গে চেম্বারে প্রবেশ করে বিভিন্ন অপরাধের সত্যতা পেয়ে চেম্বার সিলগালা করে দেন। পরে মনজু মিয়া ভোক্তা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গিয়ে সমস্ত অপরাধ স্বীকার করে যার ফলশ্রুতিতে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং পরবর্তীতে এমন ঘৃণিত কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়।
কিন্তু পরবর্তীতে আবারো মনজু মিয়া চেম্বার খুলে তার বিশাল ডাক্তারি কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করতে থাকে।
এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে মিঠাপুকুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমিন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে সহযোগিতা করেন নির্বাহী মাজিস্ট্রেট মুলতামিস বিল্লাহ্।
সরকার স্বীকৃত কোন প্রতিষ্ঠান থেকে চিকিৎসা বিষয়ক কোন ডিগ্রী গ্রহন না করে জনসাধারণকে ভুয়া চিকিৎসা সেবা প্রদান করায় বিকেলে ভুয়া ডাক্তার মজনু মিয়াকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
মিঠাপুকুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমিন বলেন, সরকার স্বীকৃত কোন প্রতিষ্ঠান থেকে চিকিৎসা বিষয়ক কোন ডিগ্রী না থাকায় তাকে এই রায় প্রদান করা হয়।
এনএইচ





