বুধবার (১ জুলাই) সকালে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে তার মরাদেহ উদ্ধার করা হয়।

রোকেয়া বেগম উপজেলার গুচ্ছগ্রামের মৃত আলী আশরাফের স্ত্রী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত রোকেয়া বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ঘটনার দিন সকালে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরে রাত ৯টার দিকে জগন্নাথদীঘি বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যদের অনুমতি নিয়ে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্ত এলাকায় তার খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে রাত ১১টার দিকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ১৪১৩ নম্বর পিলারের পাশে ওই নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে বিজিবি-কে খবর দেওয়া হয়। বিজিবির মাধ্যমে খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ রাত ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহটি থানায় নিয়ে যায়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফ হোছাইন বলেন, ‘পুলিশ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ওই নারীর মরদেহ থানায় নিয়ে আসে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

বিজিবি জগন্নাথদিঘী ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার মোর্শেদ বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে ভারত সীমান্তের ১৪১৩ নম্বর পিলার সংলগ্ন এলাকায় রোকেয়া বেগম নামে ওই নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা আমাদের জানান। পরে পুলিশকে অবগত করলে তারা মৃতদেহটি থানায় নিয়ে যায়।’

এস