শনিবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে বাঘারপাড়া উপজেলার খলশী গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন জুবায়দা খাতুন (৩২) ও তার ছেলে জিসান (৬)। শিশুটির হাত-পা বাঁধা এবং মায়ের গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল। পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহতের স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, ঘরের ভেতর একই খাটে মা ও ছেলের লাশ পড়ে ছিল। শিশু জিসানের হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্যদিকে, মা জুবায়দা খাতুনের গলায় ওড়না প্যাঁচানো থাকলেও ওড়নার দুটি প্রান্ত তার নিজের হাতে ধরা ছিল।

নিহত জুবায়দার ছোট বোন পিনজিরা খাতুন জানান, তার বোনজামাই জাকির হোসেন দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর এক বছর আগে দেশে ফেরেন। জাকিরের সঙ্গে তার ভাই শিহাবের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এই জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।

প্রতিবেশীরা জানান, পরিবারের বাইরে তাদের তেমন কোনো শত্রু ছিল না।

বাঘারপাড়া থানার এসআই পলাশ জানান, মৃত মা ও ছেলের লাশের অবস্থা দেখে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।

বাঘারপাড়া থানার ওসি শাহ জালাল আলম বলেন, ঘটনাটি সন্দেহজনক। আত্মহত্যা মনে হচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

এনএইচ