শিশুটির বাবা রাসেল খান ও মা রুমানা বেগমের দাবি, ঘরের ভেতরে বাবার পাশে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ নিখোঁজ হয় রাইয়ান। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে রাসেল খান শিশুসন্তানকে নিয়ে বসতঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও লেপার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর ঘরে ফিরে ছেলেকে দেখতে না পেয়ে স্বামীকে ডাকেন তিনি। এরপর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বাড়ির পুকুরের পানি সেচেও শিশুটির সন্ধান মেলেনি। এলাকায় মাইকিং করেও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
শিশুটির বাবা রাসেল খান বলেন, “সকাল সাড়ে ৫টার দিকে রাইয়ানকে নিয়ে খাটে ঘুমিয়ে ছিলাম। আধা ঘণ্টা পর আমার স্ত্রী এসে ছেলেকে দেখতে না পেয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করে। এরপর প্রতিবেশীদের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পুলিশকে খবর দিই।”
শিশুটির মা রুমানা বেগম বলেন, “সকাল সাড়ে ৫টার দিকে পেছনের দরজা খুলে ঘরের সামনে লেপার কাজ করছিলাম। এ সময় একটি কুকুর জোরে ডাকাডাকি করলে ছেলেটি ভয় পাবে ভেবে ঘরে যাই। কিন্তু গিয়ে দেখি, বাবার পাশে ঘুমিয়ে থাকা রাইয়ান নেই। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাইনি।”
প্রতিবেশী ওসমান গণি বলেন, এমন ঘটনা তিনি আগে কখনো শোনেননি। শিশুটি নিখোঁজের খবর পেয়ে এলাকার শত শত মানুষ ছুটে এসেছেন। সবাই আতঙ্কিত। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে শিশুটিকে খুঁজে বের করার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শিশুটি কীভাবে নিখোঁজ হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। শিশুটি নিখোঁজের ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
এস
















