বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে কার্যালয়ে গিয়ে অগ্নিসংযোগের বিষয়টি জানতে পারেন বলে জানিয়েছেন এনসিপির নেতারা। তাঁদের দাবি, ভিডিও ফুটেজে তিন যুবককে কার্যালয়ে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দিতে দেখা গেছে। আরেকজন মুঠোফোনে পুরো ঘটনাটি ধারণ করছিলেন। তবে ভিডিওতে তাঁদের মুখ স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায়নি।
বগুড়া জেলা এনসিপির আহ্বায়ক প্রকৌশলী এম এস এ মাহমুদ বলেন, বুধবার রাত ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে কার্যালয়ে এসে বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এনসিপির জেলা শাখার সদস্যসচিব সুলতান মাহমুদ বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা এখনো বিদ্যমান। তাঁরাই এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে বলে তিনি মনে করেন। তবে এ মুহূর্তে সুনির্দিষ্টভাবে কারও নাম বলা কঠিন বলেও জানান তিনি।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এস
















