জানা গেছে, হাতিয়ার জেলে জাহিদ মাঝি মেঘনা নদীতে মাছটি ধরেন। পরে মাছটি চেয়ারম্যান ঘাটের সাদিয়া ফিশ এজেন্সিতে নেওয়া হলে নিলামে তোলা হয়। সেখানে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৯০০ টাকা দর হাঁকিয়ে মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী বিষ্ণু বেপারি।
নিলাম পরিচালনাকারী কুতুবউদ্দিন বাবু বলেন, মাছটির আকার ও ওজন ভালো হওয়ায় নিলামে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। একপর্যায়ে সর্বোচ্চ দর ওঠে ১০ হাজার ৯০০ টাকা। পরে ওই দামেই মাছটি বিক্রি করা হয়।
সাদিয়া ফিশ এজেন্সির মালিক মো. সালা উদ্দিন বলেন, চেয়ারম্যান ঘাটে বড় আকারের ইলিশ এলে সাধারণত ব্যবসায়ীদের মধ্যে আগ্রহ দেখা যায়। এই মাছটিরও ভালো দাম পাওয়া গেছে। সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে বিষ্ণু বেপারি মাছটি কিনে নেন।
মৎস্য ব্যবসায়ী মো. আকবর হোসেন বলেন, মেঘনা নদীতে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়লে এর চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি থাকে। মাছটি আকারে বড় হওয়ায় নিলামে দামও ভালো উঠেছে।
নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, মেঘনা নদীতে ইলিশের প্রাপ্যতা ও আকার অনেকটাই নদীর পরিবেশ ও পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া জেলেদের জন্য আনন্দের বিষয়। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন স্বাভাবিক রাখতে সরকারি নির্দেশনা মেনে মাছ ধরতে হবে।
এস





