জানা গেছে, আনুমানিক ২০০০ সালে বুজরুক মহদীপুরের আব্দুল জলিল ও ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম একত্রে পিরোজপুরের নজরুল ইসলামের কাছ থেকে ২০ শতক জমি ক্রয় করে কবলা করে বসতবাড়ি স্থাপন করেন। আনুমানিক ২০১২ সালে নজরুল ইসলামের চাচাত ভাই মাহবুব (মাবু) রংপুর জর্জকোর্টে ওই জমি উপর টাকা দাখিলের মামলা দায়ের করে।
ভুক্তভোগী আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এর আগে আমার নামে মাহবুব (মাবু) মাছ চুরি, ডাকাতি ছিন্তাই ও চাঁদাবাজিসহ ৯টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে আমার পরিবারকে দাবিয়ে রেখে আর্থিক ভাবে পঙ্গু করেছে। আনুমানিক ২০১৭ সালে কোর্টে আমি রায় পেলে মাহবুব আবার আপিল করলে মামলা ঢাকা হাইকোর্টে স্থানান্তর হয়। আমি আর্থিক সমস্যার কারণে ঢাকায় নিয়মিত যাতায়াত করতে না পারায় কোর্ট মাহবুবের পক্ষে রায় দিলে ৩১ আগস্ট পুলিশের সহায়তায় আমার বসত বাড়ি ভেঙ্গে দেয় ও আনুমানিক দুই লক্ষ টাকার মালামাল নষ্ট করে ফেলে।
এতে আমি দিশাহারা হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মাস্টারের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবি করলে চেয়ারম্যান আজ পিরোজপুর ঈদগা মাঠে জনগণকে সাথে নিয়ে জমি বিক্রেতা নজরুল ইসলামের কাছ থেকে ২০ শতক জমির পরিবর্তে ১৫ শতক জমির দাবি করলে নজরুল ইসলাম তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মাস্টার নগদ ৫ হাজার টাকা আনোয়ারুল ইসলামকে দান করে ও তার ছোট ভাই সুজন মন্ডলের নেতৃত্বে বসতবাড়ি স্থাপনের জন্য চাল, বাশ, টাকা কালেশনের জন্য একটি টীম গঠন করে দেন।
মাহবুব (মাবু) দেশের বাইরে থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মাস্টার জানান,
মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান জানান, কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
এনএইচ





