শনিবার (১২ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের ষষ্ঠীতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত বিপুল শহরতলীর শেখহাটি জামরুলতলা গ্রামের আখতার হোসেনের ছেলে। তিনি এসিআই গ্রুপের ডিপোতে শ্রমিকের কাজ করতেন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ষষ্ঠীতলা এলাকার বাপ্পী নামের এক যুবক এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী। বাপ্পী মাদক সেবনসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এসব কারণে তার স্ত্রী সুমাইয়া তাকে তালাক দিয়ে বিপুলের সঙ্গে ঘর বাঁধেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বাপ্পী তাদের বারবার হুমকি দিতেন। এর আগেও তিনি তাদের বাড়ির সামনে বোমাবাজি করেন বলে পরিবারের দাবি।
নিহতের বাবা আখতার হোসেন বলেন, ঘটনার রাতে কৌশলে অপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে বিপুলকে ফোন করে ডেকে আনা হয়। বিপুল সেখানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাপ্পী ও তার সহযোগীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কিছুক্ষণ পর মৃত্যু হয়।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ শাকিরুল ইসলাম জানান, বিপুলের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত ছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত জানান, হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলমান।
এনএইচ