নিহতরা হলেন, অষ্টগ্রাম উপজেলার কাগজি গ্রামের মো. নাসির এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় এলাকার মো. শাহজাহান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শাহজাহান ও নাসির পার্শ্ববর্তী মনোহরপুর থেকে নৌকাযোগে একটি মহিষ চুরি করে নিয়ে আসে। এ খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দেওঘর এলাকার লুডডা নদীর পাড় থেকে তাদেরকে ধরে নিয়ে আসে। পরে তাদেরকে দেওঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এনে বেঁধে রাখে। খবর ছড়িয়ে পড়লে হাজারো জনতা গিয়ে তাদেরকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

অষ্টগ্রাম উপজেলা দেওঘর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. মহি উদ্দিন বলেন, মহিষ চুরির ঘটনার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা জানতে পারে তাদেরকে স্কুল মাটে বেঁধে রেখেছে। এই খবর পেয়ে লোকজন একত্রিত হয়ে মাঠে গিয়ে চোরদের ওপর হামলা চালালে এ ঘটনা ঘটে।

অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন বলেন, আজ সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুটি মরদেহ ও একটি মহিষ উদ্ধার করে পুলিশ। রাতের অন্ধকারে মহিষ চুরি করে পালানোর সময় এলাকাবাসী তাদের ধরে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান দুজন। এদের মধ্যে নিহত শাহজাহান চিহ্নিত গরুচোর, তার বিরুদ্ধে গরুচুরির একাধিক মামলা রয়েছে।

ওসি আরও বলেন, চুরি করা মহিষটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নৌকাটি চিহ্নিত করা যায়নি। এ ছাড়া দুইজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

এনএইচ