ওইদিন সকালে এ মামলায় অভিযুক্ত সকল আসামিকে কড়া পুলিশি প্রহরায় আদালতে হাজির করা হয়। সকাল ১০টা হতে শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাগুরার নারী ও নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এম জাহিদ হাসান উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেন।

এ মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষীর মৌখিক এবং দালিলিক সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ প্রসিকিউটর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োজিত অ্যাটর্নি জেনারেল সমমর্যাদার অ্যাডভোকেট এহসানুল হক সামাজিসহ রাষ্ট্রপক্ষ থেকে নিযুক্ত আইনজীবীরা সাক্ষী ও দালিলিক প্রমাণাদির উপর যুক্তিতর্ক করেন।

পাশাপাশি মামলার সব তথ্য প্রমাণাদির ভিত্তিতে আসামিদেরকে সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করে আদালতের নিকট প্রার্থনা করা হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবী সোহেল আহম্মদ আদালতে মামলার বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরে আসামিদের নির্দোষ দাবি করে তাদের খালাস চান।

পরে ১৭ মে এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে বলে জানান বিজ্ঞ বিচারক এম জাহিদ হাসান। শিশু আছিয়ার পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী এ মামলার সকল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করেছেন।

এমএম