বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝেরচরের ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ শামীম ওই এলাকার জেলে আব্দুল জলিল নয়ন ও মনি দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে ছোট।
পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য, সকালে জোয়ারের সময় শামীম তার মায়ের সঙ্গে মেঘনা নদীর তীরে গোসল করতে যায়। কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা ভেজা কাপড় পরিবর্তনের জন্য নদীর তীর থেকে ওপরে উঠে যান। এ সময় শামীম তীরের কাছে গোসল করছিল।
এর মধ্যে ইলিশা লঞ্চঘাটের দিক থেকে নৌপুলিশের সদস্যদের নিয়ে একটি দ্রুতগতির স্পিডবোট নদীর তীর ঘেঁষে দক্ষিণ দিকে যাচ্ছিল। পরিবারের অভিযোগ, স্পিডবোটের সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের ধাক্কায় শিশুটি নদীতে তলিয়ে যায়।
প্রায় ৩ থেকে ৫ মিনিট পর শিশুটির মা নদীর তীরে ফিরে এসে শামীমকে দেখতে না পেয়ে স্বজনদের খবর দেন। পরে স্থানীয়রা নদীতে নেমে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির সন্ধান পাননি।
নিখোঁজ শামীমের বাবা আব্দুল জলিল নয়ন দুপুর পৌনে ১টার দিকে বলেন, সকালে স্ত্রী ও ছেলে নদীতে গোসল করছিল। স্ত্রী ওপরে উঠে আসার পর নৌপুলিশের স্পিডবোটের ঢেউয়ে ছেলে নদীতে ডুবে যায়।
তিনি বলেন, সকাল থেকে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় খোঁজ করেও ছেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের লোকজনকে বিষয়টি জানানো হলেও তখন পর্যন্ত কেউ ঘটনাস্থলে আসেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ইলিশা নৌথানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, সকাল থেকে নৌপথের সার্বিক নিরাপত্তায় নৌপুলিশের অভিযান চলছে। এ সময় কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগে একজন জেলেকে আটক করা হয়েছে।
শিশু নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ নেওয়া এবং উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, তিনি নিজেও নৌপুলিশের একটি দলের সঙ্গে সেখানে যাচ্ছেন।
এস





