শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল থেকে এখন পর্যন্ত পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে বসিলা সেতু পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা নদী পারাপারের নৌকা ঘাটগুলো বন্ধ রয়েছে। তবে, লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
মাঝিরা বলছেন, আওয়ামী লীগ নেতারা এসে বলছে গেছেন বুড়িগঙ্গা নদীতে কোনোভাবে নৌকা চলাচল করা যাবে না। তাদের কথামতো আমরা নৌকা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছি।
ঘাট এসে নৌকা না পেয়ে আমান জানান, প্রতিদিন এই রুটে আমার চলাচল করতে হয়। কিন্তু এসে দেখি নৌকা বন্ধ। এটা আমাদের জন্য ভোগান্তি ছাড়া আর কিছু নয়।
এদিকে, সমাবেশ ঘিরে রাজধানীর সব কটি প্রবেশমুখে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাসি চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চেকপোস্ট বসিয়ে বাস, লেগুনা, মোটরসাইকেল, রিকশা, সিএনজি ও প্রাইভেটকার থামিয়ে চেক করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চেক করার পরেই গাড়িগুলো ঢাকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া যাত্রীদের ব্যক্তিগত মোবাইল, ব্যাগ চেক করার পাশাপাশি কারও কারও শরীর তল্লাশি করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কাউকে কাউকে হেফাজতে নিচ্ছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, রাজধানীতে যাতে কোনো নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা না হয় এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে তল্লাশি কার্যক্রম চলছে। যাকেই সন্দেহ হচ্ছে তাকেই তল্লাশি করে আটক করা হচ্ছে। বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের সংঘাত এড়াতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ। ইতোমধ্যে ঢাকাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। মাঠে রয়েছেন র্যাব, পুলিশের ১৫ হাজার সদস্য। নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছেন বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরাও।
এনএইচ





