অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা না করতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, ভাংনী ইউনিয়নের ঠাকুরবাড়ি গ্রামের এক ভ্যানচালকের স্ত্রী গত সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন। এ সময় এনামুল হকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাকে সরকারি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন ওই নেতা।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এনামুল হক ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে কার্ডের জন্য ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর চান। বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে তিনি অশালীন প্রস্তাব দেন এবং একপর্যায়ে জড়িয়ে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ভুক্তভোগী নারী ধাক্কা দিয়ে তাকে সরিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আত্মরক্ষা করেন।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, ঈদের পর কার্ড দেওয়ার কথা বলে অভিযুক্ত তার বাড়িতে আসেন। একা পেয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে খারাপ কাজের চেষ্টা করেন। তিনি কোনোভাবে নিজেকে রক্ষা করেছেন এবং ঘটনার বিচার দাবি করেছেন। তার ভাষ্য, অভিযুক্ত দাবি করছেন—তার বিচার কেউ করতে পারবে না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এনামুল হক। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো কারণ তিনি উল্লেখ করতে পারেননি।

এদিকে, ভাংনী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন ঘটনাটিকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে দাবি করেছেন। তার মতে, হাস্যরসের মধ্যে চলাফেরার সময় ঘটনাটি ভুলভাবে বোঝা হয়েছে এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে মীমাংসা করা হয়েছে।

মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনএইচ