সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে উপজেলার বিভিন্ন পিজি গ্রুপের নারী সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং মৎস্য খামার পরিদর্শন ও মতবিনিময় অংশ গ্রহণ শেষে এসব তিনি এসব বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উভয়খাতকেই বিদ্যুৎ বিল একটি নির্দিষ্ট কমার্শিয়াল রেটে দিতে হয়। কিন্তু কৃষিতে আরও কম রেটে বিদ্যুৎ বিল দিতে পারে। আর তাই খামারিরা কৃষির মতো ভর্তুকি মূল্যে যেন বিদ্যুৎ বিল দিতে পারে সে লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ব্যাংক তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে খামারিরা সহজ শর্তে প্রয়োজনীয় ঋণ সুবিধা পেতে পারেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল এবং উপজেলা মৎস্য দপ্তরে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদের পরিচালক ডা. আতিয়ার রহমান, সামুদ্রিক মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আব্দুস ছাত্তার, মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. আলমগীর, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ, সন্দ্বীপ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. আলী আজম, উপজেলাধীন বিভিন্ন পিজি গ্রুপের নারী সদস্য ও মৎস্য খামারিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার সন্দীপে চট্টগ্রামের বাঁশবাড়িয়া, সীতাকুণ্ড-গুপ্তছড়া, সন্দ্বীপ নৌপথে ফেরি সার্ভিস উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
এ সময় তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ফলেই সন্দ্বীপের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, গত ৫০ বছরে সন্দ্বীপে কোনো উন্নয়ন হয়নি এটা আমাদের লজ্জার কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার- সন্দ্বীপের উন্নয়ন সাত মাসে দৃশ্যমান করেছে।
এনএইচ