গ্রেপ্তারের বাবার নাম গাজী মিয়া। মায়ের নাম সফুরা খাতুন।

বাড়ি ভালুকার হবিরবাড়ি এলাকার কড়ইতলা মোড়ে। তিনি পেশায় একজন মাদরাসা শিক্ষক। দিপু হত্যাকাণ্ডের পরপরই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সময় ফ্যাক্টরির ফটকে স্লোগান দিয়ে লোকজন জড়ো করা, ভুক্তভোগী দিপুকে স্রোতের মতো মারধর করে ফটকের সামনে হত্যা করা এবং পরবর্তী সময়ে রশি দিয়ে মরদেহ টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় মরদেহ পোড়ানোয় নেতৃত্বদানকারী বেশ কয়েকজনের মাঝে আরাফাত অন্যতম একজন।

ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

দিপু হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৩ জন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারা অনুযায়ী বিজ্ঞ আদালতের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। ৯ জন আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা অনুযায়ী বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

১৮ জন আসামিকে ইতিমধ্যে রিমান্ড শেষে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে, অপর আসামিদের পুলিশের রিমান্ডে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

গত ১৮ ডিসেম্বর ঘটনার রাত পৌনে ৯টার দিকে সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিক্ষুব্ধ লোকজন দিপু চন্দ্রকে কারখানা থেকে বের করে নিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে। এরপর মহাড়কের ডিভাইডারের একটি গাছে মরদেহ ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পরদিন ১৯ ডিসেম্বর বিকেলে নিহতের ভাই অপু দাস দেড় শজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এনএইচ