সরেজমিনে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে করলার আবাদ করেছেন কৃষকরা। জায়গীর বাসস্ট্যান্ড হতে রানীপুকুর ইউনিয়ন পরিষদগামী রাস্তার দু পাশে বসে কাজ করছেন কৃষক ও কৃষাণীরা। জমি থেকে পরিপক্ক করলা তুলে এনে সেগুলো থেকে বীজ (বিচি) বের করা হচ্ছে। বীজগুলো ধুয়ে রাস্তার পাশেই শুকানো হচ্ছে পরম যত্নে। করলার অপ্রয়োজনীয় ছাল বা খোসাগুলো ফেলে দেওয়া হয়। করলার খোসা তেতো হওয়ায় সেগুলো গোখাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করা যায় না। বর্তমান আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সমন্বয়ে করলার ফেলে দেওয়া খোসা কোন কাজে লাগানো যায় কিনা তা নিয়ে গবেষণার দাবি কৃষকদের।

349546002_1883714525497003_2754778478333208468_n

স্থানীয় কৃষকরা জানান, এখানকার উৎপাদিত করলা সবজির থেকে বীজ হিসেবে বেশি বিক্রি হয়। নয়াপাড়া গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবারেই কেউ না কেউ করলার আবাদ করে। এবার প্রায় ১শ একর জমিতে করলার আবাদ হয়েছে। সবমিলে কমপক্ষে ৩০-৪০ লাখ টাকার ব্যবসা হবে। করলা আবাদ করে এখানকার অনেক কৃষক স্বাবলম্বী হয়েছেন।

উপসহকারী কৃষি অফিসার মুশফিকুর রহমান বলেন, এখানকার উৎপাদিত করলা বীজ রানীপুকুরের করলা বীজ হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে। প্রতিবছর দক্ষিণাঞ্চলের কৃষক ও ব্যবসায়ীরা এখান থেকে বীজ নিয়ে যায়। আমরা কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে আসছি।

উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল আবেদীন বলেন, রানীপুকুরের করলা বীজ বিভিন্ন কোম্পানী ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কৃষকরা ক্রয় করে। করলার উচ্ছিষ্ট অংশ জৈব সার হিসেবে ব্যবহারের জন্য কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

এনএইচ