মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঝড়ের কারণে মাটিরাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর অসংখ্য গাছ ভেঙে পড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনগণ, সড়ক বিভাগ, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত গাছগুলো অপসারণ করা হয়। তবে গুইমারা অংশে এখনও কিছু স্থানে গাছ অপসারণের কাজ চলমান রয়েছে, যা অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে মাটিরাঙ্গা ও গুইমারা উপজেলার মুসলিমপাড়া, রসুলপুর, বাইল্যাছড়ি, বুদংপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে বহু গাছপালা ভেঙে পড়ে এবং অনেক বসতঘরের ওপর গাছ পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে কাঁচা ঘরবাড়ির চাল উড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটি ভেঙে পড়ায় মাটিরাঙ্গা এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
তবলছড়ি সড়কের থানার পাশ ও রসুলপুর এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে। তবে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হতে কত সময় লাগবে তা এখনো নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।
ঝড়ে আম বাগানসহ বিভিন্ন ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক স্থানে গাছ উপড়ে পড়ায় কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণও বেড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ চলছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
হঠাৎ করে শুরু হওয়া কালবৈশাখি ঝড়ে স্থানীয়রা ব্যাপক আতঙ্কের মধ্যে পড়েন। ঝড় থামার পর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট হলে অনেকেই দিশাহারা হয়ে পড়েন। দ্রুত সড়ক সচল হওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরতে শুরু করেছে। বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
এস