দগ্ধরা হলেন ভিশন গার্মেন্টসের কর্মী মো. কায়সার (২৮) এবং তার স্ত্রী রুবী আক্তার (২৪)। আগুনে দগ্ধ হওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, কায়সারের শরীরের প্রায় ১০০ শতাংশ এবং রুবীর শরীরের ৮৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দুজনের অবস্থাই অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে আসা বাড়ির মালিক নূর মোহাম্মদ জানান, রাতের খাবার শেষে ঘুমানোর আগে তারা রুমে একটি মশার কয়েল জ্বালিয়েছিলেন। তার ধারণা, ওই কয়েল থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। রাতে ধোঁয়া দেখতে পেয়ে দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করা হয়। ধোঁয়ায় পুরো কক্ষ আচ্ছন্ন হয়ে যাওয়ায় তারা বের হতে পারেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, কায়সার ও রুবী সেমিপাকা দুইতলা ভবনের নিচতলার একটি ভাড়া কক্ষে থাকতেন। তাদের কক্ষে কোনো গ্যাসের চুলা ছিল না; রান্নার ব্যবস্থা ছিল ভবনের অন্য পাশে। ফলে আগুনের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা গেছে, কায়সারের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার রিয়াজউদ্দিন মাতব্বরপাড়া গ্রামে।

এমএম