শুক্রবার সকালে দিনাজপুরে সেনা ময়দানে ভোটের গাড়ির প্রচারণায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির বলেন, আগামী নির্বাচন কিন্তু আগের মতো বাঁধাধরা নির্বাচনের মতো না। আমাদের ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। এটা পাঁচ বছরের জন্য না।

তিনি বলেন, এই নির্বাচনে একটি গণভোট রাখা হয়েছে। আপনি যদি সংস্কার চান, সংসদীয় গণতন্ত্র চান, ক্ষমতা কোনো এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত না থেকে ক্ষমতার ভারসাম্য হোক, মানুষ যদি বিচার পায় আপনারা সংস্কারের পক্ষে ভোট দেবেন। সংস্কারের পক্ষে মানে ‘হ্যা’ভোট দেবেন। কিন্তু আপনি যদি মনে করেন সংস্কার চান না তাহলে ‘না’ভোট দেবেন। আপনাকে ভোট দিতে বাধ্য করতে পারবে না।

উপদেষ্টা বলেন, এই সংস্কারের জন্যই ১৪০০ মানুষ জীবন দিয়েছে। প্রায় ৩০ হাজার মানুষের অঙ্গহানি হয়েছে। আমরা তাদের সংস্কার বাস্তবায়ন করব। আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।

তিনি বলেন, এই যে জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছিল; মানুষ ভোট দিতে পারেনি এইজন্য, কিংবা ভোটের হিসাব হয়নি ঠিক মতো, তারা যাদেরকে নির্বাচিত করতে চেয়েছিলেন তাদেরকে নির্বাচিত হতে দেয়া হয়নি।

উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আপনারা যাকে চাইবেন, তিনি যেই দলেরই হোক না কেন, যেই ধর্মের হোক না কেন, যেই বর্ণের হোক না কেন, যে গোত্রের হোক না কেন, তাকেই আমরা বিজয়ী হিসেবে দেখতে চাই।

এনএইচ