বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক রায়ের ভিত্তিতে ঢাকঢোল পিটিয়ে লালসালুর নিশান উড়িয়ে মামলার রায়প্রাপ্ত বাদী পক্ষের অনুকূলে জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়।সেইসাথে গুড়িয়ে দেয়া বসতবাড়ির অবকাঠামোর সরঞ্জাম সমূহ বিবাদী অপসা-রণ করে তার অনুকূলে নিবেন।

বুধবার ৯ জুলাই সকাল থেকে প্রায় সন্ধা নাগাদ পর্যন্ত গাইবান্ধার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আদেশ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট টীমবহর বিরতিহীন ভাঙচুর কার্যক্রম পরিচালনার মধ্যদিয়ে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন

করেন।জমির ওপর নির্মিত সেমি পাকা ওয়াল ঘরের বসতবাড়ি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়।এসময় বাদী-বিবাদী

পক্ষের জনবল ছাড়াও স্থানীয় উৎসূক জনতা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে অবলোকন করেন।

বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ,সিনিয়র সহকারী জজ আদালত গাইবান্ধা উপর্যুক্ত স্মারক মূল্যপ্রাপ্ত পত্রের প্রেক্ষিতে অন্য ডিগ্রিধারী ৮৪/ ২০১১ নং মামলার দখলী পরোয়ানা জারির কার্যক্রম সহায়তা সম্পাদনের জন্য নাজিরের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে একজন এস আই তিনজন পুরুষ কনস্টেবল দুইজন নারী কনস্টেবল সহ একজন ম্যাজিস্ট্রেটের এর উপস্থিতিতে দখলি কার্যসম্পাদন করেন। ওই জমিতে থাকা একটি সেমি পাকা ঘর সহ বসতবাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আদেশ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট টীমবহর বিরতিহীন ভাঙচুর কার্যক্রম পরিচালনার মধ্যদিয়ে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন

করেন। এসময়,বাদী-বিবাদী ছাড়াও স্থানীয় উৎসুক জনতা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে অবলোকন করে।