শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
জেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভোলা সদর উপজেলায় ১৭ জেলেকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের মধ্যে ১৪ জনকে মোট ৪২ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বাকি তিনজনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় তিনটি নৌকা, ১০ কেজি ইলিশ ও ২৫ হাজার মিটার জাল জব্দ করা হয়।
দৌলতখান উপজেলায় তিন জেলেকে আটক করা হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় একটি নৌকা, ১৫ কেজি ইলিশ ও ১ লাখ মিটার জাল জব্দ করা হয়
তজুমদ্দিন উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার সময় ১০ জেলেকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া দুটি মাছ ধরার নৌকা, ছয় কেজি মাছ ও ২০ হাজার মিটার জাল জব্দ করা হয়।
অন্যদিকে, চরফ্যাশন উপজেলায় ৮ জেলেকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ছয়জনকে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বাকি দুজনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় ১০ কেজি ইলিশ ও ২২ হাজার মিটার জাল জব্দ করা হয়।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন বলেন, মৎস্য বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ডসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযানে জেলেদের আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। জব্দ করা মাছ এতিমখানায় বিতরণ এবং জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। জব্দ করা নৌকা নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
এমএম
















