শুক্রবার (১ মে) সকালে হাসপাতালের হাম মেডিকেল টিমের ফোকাল পারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, নেত্রকোনার কলমাকান্দা থেকে ১০ মাস বয়সী এক শিশুকে গত ২৫ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে হামের উপসর্গের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও হৃদ্‌যন্ত্রের জটিলতায় তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে, জামালপুরের ইসলামপুর থেকে ৫ মাস বয়সী আরেক শিশুকে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ভর্তি করা হয়। একই দিন সকাল ১০টার দিকে ওই শিশুটিও হামের উপসর্গের সঙ্গে নিউমোনিয়া ও হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যায় মারা যায়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মার্চ থেকে ১ মে সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৯৬ শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৯১১ জন শিশু হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় একজন শিশুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে অল্পসংখ্যক রোগী ভর্তি হলেও মার্চের মাঝামাঝি থেকে রোগীর চাপ বাড়তে থাকে। বর্তমানে তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাসপাতালের নতুন ভবনের অষ্টম তলায় স্থাপিত হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।