মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে স্ত্রীর কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হলো বহু কালজয়ী গানের বরেণ্য সুরকার আলম খানকে।
আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মহাজেরাবাদ এলাকার পাহাড়চূড়ায় নির্মিত মসজিদুল আউলিয়া প্রাঙ্গণে শেষ নামাজে জানাজার পর জান্নাতুল ফেরদৌস কমপ্লেক্সের কবরস্থানে স্ত্রীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গলস্থ পাঁচতারকা মানের হোটেল ‘গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ’ ও ‘জান্নাতুল ফেরদৌস’ মসজিদের নির্মাতা ও মালিক এবং খাজা মোজাম্মেল হক রহ: ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খাজা টিপু সুলতান, ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ কামরুজ্জামান প্রমুখ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মরহুমের ছেলে ও ‘গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ’-এর মহা ব্যবস্থাপক আরমান খান বলেন, ‘শাহ মোজাম্মেল হক রহ: মসজিদে জানাজা শেষে জান্নাতুল ফেরদৌস কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হলো আব্বাকে। সেখানেই শায়িত আছেন আমার মা হাবিবুননেসা গুলবানু খান।’
তিনি আরো বলেন, ‘আম্মাকে ওখানে কবর দেয়ার পর থেকেই আব্বা বলেছিলেন, ‘তিনি মারা যাওয়ার পর যেন সেখানেই কবর দেয়া হয়। আমরাও আব্বার ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের পাশেই কবর দিয়েছি।’
প্রসঙ্গত: কয়েক বছর ধরেই অসুস্থ ছিলেন আলম খান। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেন।
শ্রীমঙ্গলে উনার লাশ আনার আগে বাংলা গানের কিংবদন্তি সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক আলম খানের দুই দফায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় রাজধানী ঢাকাতে। প্রথম জানাজা বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় তেজগাঁওয়ের চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে এবং দ্বিতীয় জানাজা বাদ আসর এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর তার লাশ নিয়ে আসা হয় শ্রীমঙ্গল উপজেলার মহাজেরাবাদ এলাকায়। সেখানে আজ শনিবার সকাল ৯টায় ৩য় দফা জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
আলম খান ১৯৪৪ সালে সিরাজগঞ্জের বানিয়াগাতি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আফতাব উদ্দিন খান ছিলেন সেক্রেটারিয়েট হোম ডিপার্টমেন্টের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মা জোবেদা খানম ছিলেন গৃহিণী।
আলম খান ১৯৬৩ সালে সুরকার রবিন ঘোষের সহকারী হিসেবে ‘তালাশ’ চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেন।
এবিএস





