রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতজন ডাকাত গ্রেফতারের ব্যাপারে মনিরুল ইসলাম বলেন, তারা রমনার দিলু রোড এলাকায় ডাকাতি করার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রসহ প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
রোববার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতজন ডাকাত গ্রেফতারের ব্যাপারে সোমবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গ্রেফতাররা হলেন- মো. তৌফিকুল ইসলাম ওরফে রন্টি, মো. আলম ভান্ডারি, সাইফুল ইসলাম মুন্না, মীর মো. মাসুম, মো. রাসেল, মো. সাদেক ফকির এবং মো. ইউসুফ।
তিনি বলেন, রোববার রাতে রাজধানীর রমনা ইস্কাটন গার্ডেন রোডের হলি ফ্যামিলী রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি কবহড়িফ ওয়ার্লেস চার্জার, দুটি চাঁপাতি, দুটি ইউরো স্টান্ডার্ড স্টিলের হ্যান্ডকাফ ও একটি লোহার হাতুরীসহ সাইফুল, মাসুম, রাসেল, সাদেক ও ইউসুফকে গ্রেফতার করা হয়। তারা রমনার দিলু রোড এলাকায় ডাকাতি করার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রসহ প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
মনিরুল ইসলাম বলেন, রোববার রাতে অপর এক অভিযানে উত্তরা এলাকা থেকে রন্টি ও আলমকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছথেকে একটি বিদেশী পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি ও ছিনতাই করা একটি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, ওই প্রাইভেট কারটি তারা চুরি-ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহার করত। এরা এর আগেও চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে এবং এদের বিরুদ্ধে মহানগরীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত ২৪ জুন মধ্যরাতে রন্টি ও আলমের নেতৃত্বে একটি চক্র তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের ফ্লাইওভার সামনে একজনকে গুলিবিদ্ধ করে একটি প্রাইভেট কার ছিনতাই করেছিল। এ ঘটনার পর রন্টি ও আলম পলাতক ছিল। পরে রোববার অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবি।
গ্রেফতার সকলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে, আদালত থেকে রিমান্ডে নিয়ে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান তিনি।
এমআর





