দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকা খুলে দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি শেষে ইনকিলাবের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম বলেন, বাংলাদেশের কোন আইনে পুলিশকে পত্রিকা অফিস সিলগালা করার অধিকার দেয়া হয়নি। সুতরাং পুত্রিকা সিলগালা করার কোন অধিকার পুলিশের নেই।
সোমবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি শেষে তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে ইনকিলাব পত্রিকাকে সিলগালা করা হয়েছে।তাই আমরা আদালতের কাছে আর্জি জানিয়েছি যেন আদালত ইনকিলাব পত্রিকা অফিস ও প্রেস খুলে দেয়ার নির্দেশনা দেন।
ইনকিলাবের আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন,বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা’র অনুচ্ছেদ ২০ অনুযায়ী জনগনের স্বার্থ রক্ষায় হস্তক্ষেপ করলে একটি পত্রিকা বন্ধ করা যাবে। কিন্তু ইনকিলাব জনগনের স্বার্থে কোন হস্তক্ষেপ করে নাই। এখানে দায়ভারটি সাংবাদিকের। সুতরাং ৯০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতের আদেশে ছাপাখানার সিলগালা খুলে দেয়ার বিধান রয়েছে।    
তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে এমন কোন আইন নেই যার ভিত্তিতে পুলিশ কোন পত্রিকার ছাপাখানা সিলগালা করতে পারে।সুতরাং ইনকিলাবের ছাপাখানা খুলে দেয়া হোক।
জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যটর্নি জেনারেল মোকলেছুর রহমান বলেন, ইনকিলাব যে ধরণের খবর প্রকাশ করেছে তা রাষ্ট্রদ্রোহের সমান। আর যে সাংবাদিক এই প্রতিবেদন তৈরি করেছেন তিনি ইনকিলাবেরই সাংবাদিক। তাই তার সঙ্গে সঙ্গে এর দায় ভার ইনকিলাব এড়াতে পারে না।
এর আগে গতকাল ইনকিলাবের পক্ষে রিট আবেদন দায়ের করেন কাদেরী পাবলিশার্স এন্ড প্রিন্টার্স।
উল্লেখ্য. গত ১৬ জানুয়ারি রাতে ইনকিলাবের ছাপাখানা সিলগালা করে বার্তা সম্পাদকসহ তিনজন সাংবাদিককে আটক করে পুলিশ।
[b]ঢাকা, জানুয়ারি ২৭ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জি[/b]ই