একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত বাগেরহাটের রাজাকার কমান্ডার শেখ সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ মাস্টার ও খান আকরাম হোসেনের মামলার রায় ঘোষণা শুরু করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
মঙ্গলবার বেলা এগারটা ৫ মিনিট থেকে রায় পাঠ শুরু হয়। মোট ১৩৩ পৃষ্ঠার রায়ের সারসংক্ষেপ পড়ছেন বিচারকরা। এর আগে বেলা এগারটার দিকে ট্রাইব্যুনালের এজলাসে আসেন তারা।
প্রথমে রায়ের প্রথম অংশ পড়ছেন বিচারক প্যানেলের সদস্য বিচারপতি আনোয়ারুল হক। দ্বিতীয় অংশ পড়বেন বিচারক প্যানেলের অপর সদস্য বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন এবং সবশেষে মূল অংশ সাজা ঘোষণা করবেন চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম।
এর আগে সকাল দশটা ৫০ মিনিটে মামলার রায় ঘোষণার জন্য ট্রাইব্যুনালের হাজতখানা থেকে এজলাসকক্ষের আসামির কাঠগড়ায় ওঠানো হয় সিরাজ মাস্টার ও আকরামকে। এর আগে সকাল আটটার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এনে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোট সাতটি মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছেন সিরাজ-আকরাম। আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন’১৯৭৩ এর ৩(২)/এ, ৩(২)/সি, ৩(২)/ডি, ৩(২)/জি ও ৩(২)/এইচ এবং ২০(২) ধারা অনুসারে গঠন করা এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে বাগেরহাটের শাঁখারিকাঠি বাজার, রনজিৎপুর, ডাকরা ও কান্দাপাড়া গণহত্যাসহ ৮ শতাধিক মানুষকে হত্যা-গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন এবং শতাধিক বাড়ি-ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ।
এ মামলার তিনজন আসামির মধ্যে অন্যজন আব্দুল লতিফ তালুকদার গত ২৮ জুলাই মারা গেছেন। ফলে গত ৫ আগস্ট তাকে মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন ট্রাইব্যুনাল।
এএইচ





